জ্ঞানের প্রধান উদ্দেশ্য বই [ 'বই' একটি অনুপ্রেরণামূলল গল্প ] Bangla Inspiration Story -WeBangali.com

সকল জ্ঞানের মূল হলো বই WeBangali.com
Bangla Motivation Story - -WeBangali.com





Table of Content (toc)



আপনি কি জানেন  সকল জ্ঞানের মূল হলো বই


আচ্ছা তুমি যে বইগুলো আজকে পড়ছো, তার প্রায় প্রতিটা বইয়ের পাতা গুলো একদিন নষ্ট হয়ে যাবে । আর যদি নষ্ট নাও হয় তাহলে সেগুলোকে হয়তো জলের দরে কোনো কাগজ ওয়ালাকে একদিন বিক্রি করে দেওয়া হবে । প্রতিটা বইয়ের পেজ হয়তো নষ্ট হয়ে যেতে  পারে।



 কিন্তু আপনি কি জানেন প্রতিটা বই তৈরি হওয়া থেকে নষ্ট হওয়া পর্যন্ত, প্রতি টি বই একজন অজ্ঞানী মানুষকে জ্ঞানী মানুষে পরিণত করতে সাহায্য করে। তুমি যে কলম গুলো দিয়ে আজকে লিখছো সেগুলোর কালি একদিন শেষ হয়ে যাবে। আর একসময় গিয়ে সেগুলোও ভেঙে নষ্ট হয়ে যাবে বা ওই কলম দিয়ে আবারও নতুন কলম তৈরি হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিটা কলম তৈরি হওয়া থেকে নষ্ট হওয়া পর্যন্ত একজন মানুষের অ,আ,ই,ঈ....  থেকে সিগনেচার এর জার্নি তৈরি করে দেয় । প্রতিটা ঘুড়ি একসময়  উড়ানোর পর নিদিষ্ট সময়ে তা ছিরে বস ডাস্টবিনের ময়লা-অলা জায়গায় গিয়ে  থেমে যায়। কিন্তু সেটা ডাস্টবিনে যাওয়ার আগে সুদূর আকাশে উড়ে দেখায় । 




আমাদের উদ্দেশ্য টা কি



বই,কলম, ঘড়ি এগুলো জড়োবস্তু হওয়া সত্ত্বেও যদি শেষ হয়ে যাওয়ার আগে তার জীবনের উউদ্দেশ্য সঠিকভাবে পূরণ করে যেতে পারে । তাহলে তুমি আমি যাদের কাছে চিন্তা করা শক্তি আছে , যাদের কাছে স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা আছে , তারা কেন নিজের জীবনের উদ্দেশ্য পূরণ করে যেতে পারবে না ।


 তুমিও ভালো করে জানো যে তুমি একদিন শেষ হয়ে যাবে। আমিও ভালো করে জানি যে আমিও একদিন শেষ হয়ে যাব। কিন্তু যত দিন এই পৃথিবীতে আমরা বেঁচে আছি, ততদিন কেন আমরা জড় বস্তুর মতো অলসতা করে টাইম পাস করবো.? কেন আমরা ভুলে যাচ্ছি , যে আমাদেরও এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে সফলতার শিখর ছুঁয়ে যেতে হবে । কেন আমরা এটা ভুলে যাচ্ছি যে আমাদেরও নিজের জার্নি নিজের নাম লেখা থেকে অটোগ্রাফ দেওয়া অব্দি নিয়ে যেতে হবে । যদি একটা বই জড়ো বস্তু হয়ে আমাদের জ্ঞান দিতে রাজি থাকে। তাহলে কেন আমরা বুদ্ধিমান হয়ে জ্ঞান নিতে রাজি নই । কেন আমরা আমাদের স্টুডেন্ট লাইফ টাকে ব্যাড হ্যাবিটের পিছনে নষ্ট করে দিতে রাজি হয়।






 কিন্তু এই সময়টাকে সঠিকভাবে ইউটি লাইজ করে শিখতে রাজি নই । কেন আমরা শুধু মার্কের জন্য পড়াশোনা করতে রাজি হয় , কিন্তু বড় কোন উদ্দেশ্য এর জন্য পড়াশোনা করতে রাজি নই।  আজই নিজেকে এই কথাগুলো জিজ্ঞেস করো , আর দেখো যে তোমার ভেতর থেকে কি উত্তর আসে.? যদি উত্তর আসে যে, তুমি সারাজীবন সাধারণ হয়ে কাটিয়ে দিতে রাজি, বা নিজের নাম কে শুধু নাম অব্দি রেখে দিতেই রাজি , যদি উত্তর আসে তুমি শুধু ইতিহাস পড়তে-ই রাজি , তাহলে যেমন ভাবে সময় কাটাচ্ছো,ঠিক তেমনি ভাবেই কাটতে দাও । 


আর যদি তোমার ভেতর থেকে উত্তর আসে,  যে আমি সাধারণ হয়ে এসেছি বটে , কিন্তু সাধারণ হয়ে যেতে রাজি নই। আমি বড় কিছু অর্জন করে তারপরেই যাব , যদি উত্তর আসে যে, না আমি নিজের নাম কে নাম অব্দি রেখে দিতেই রাজি নই , আমি নিজের নাম কে অটোগ্রাফে এ পরিবর্তন করে দিয়ে তবেই যাব,  যদি উত্তর আসে যে, আমি শুধু নামই ইতিহাস পড়তে রাজি নই ,  আমি এই পৃথিবী থেকে যাওয়ার আগে ইতিহাস তৈরি করে দিতে চাই এরপর-ই গা যাব । 




আজ থেকেই তোমার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য তৈরি কর




তাহলে বন্ধু , সব অলসতা এবং সব বাজে অভ্যাস কে ছেড়ে আজই একটা বড় উদ্দেশ্য তৈরি কর।  আর হাতে বই তুলে নাও, তোমার কাছে থাকা প্রতি টা বইয়ের মধ্যে এত পরিমান জ্ঞান রয়েছে, যা তোমাকে তোমার ফিল্ডে পুরো পৃথিবীতে সবচেয়ে সফল ব্যক্তি বানাতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করতে পারে । সেখার জন্য পড়ো, কিন্তু  শুধুমাত্র মার্কে এর জন্য নয় । বড় কিছু করার জন্য পড়। দেখবে তোমার উদ্দেশ্য যা ছিল তাই পূরণ হ'য়ে গিয়েছে। কিন্তু এর জন্য সবার আগে তোমাকে তোমার উদ্দেশ্য বা তোমার লক্ষ্য  টা কে সঠিক ভাবে তৈরি করতে হবে। যাতে তুমি এক দিন অনেক বড় বা বিখ্যাত বা জীবনে সাকসেস হতে পার।




যদি নিজে কে নিয়ে  আজই একটা বড় উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্য বা আপনার গোলস তৈরি করো, আর হাতে বই তুলে নাও। তাহলে তোমার কাছে থাকা প্রতিটা বইয়ের মধ্যে এত পরিমান জ্ঞান রয়েছে যা তোমাকে তোমার অসম্পূর্ণ জীবন কে বদলে সম্পূর্ণ ভরপুর জীবনে পাল্টে দিবে।  এ পুরো পৃথিবীতে সবচেয়ে সফল ব্যক্তি রা শুধু মার্কের জন্য পড়া লেখা করে নি , তারা জীবনে বড় কিছু করার জন্য বানানোর জন্য পড়া লেখা করে গেছে । তুমি যুগ-যুগান্তর ইতিহাস সম্পর্কে পড় তাহলে হয়তো সঠিক ভাবে বুঝতে পারবে।তারা কেন পড়া লেখা করে ছিল.? 

 আর তাদের এই পড়া লেখার ফলে আজ আমরা আমাদের জীবন টাকে আরও সহজ করে ফেলেছি। 






যদি উদাহরণ স্বরূপ হিসেবে বুঝিয়ে দিতে হয় তাহলে  সবার আগে বলব যে, আপনি যে আমার এই আর্টিকেল টি পড়চ্ছেন যার মাধ্যমে তা কিন্তু সহজে তৈরি হয়নি।এর পেছনে নিজের সম্পূর্ণ জ্ঞান দিয়ে তৈরি করেছে এই ইন্টারনেটে, ইন্টারনেটের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। এছাড়াও তোমার আশে পাশে যা কি আছে বা ঘটছে শুধু প্রকৃতি ছাড়া সবই কিন্তু মানুষের দ্বারা সৃষ্ট। আর এই সব তৈরি বা আবিষ্কার করার জন্য প্রয়োজন হয়েছে মানুষের জ্ঞান। যার দ্বারা আজ পৃথিবী হাতের মুঠোয়। 

কিন্তু এই জ্ঞান-এর পেছনে রয়েছে বই।যুগে যুগে বিভিন্ন মনিষ্যি, জ্ঞানী, বিজ্ঞানীরা প্রকৃতি থেকে জ্ঞান অর্জন করে।এবং এই জ্ঞান যেন বিলুপ্ত বা হারিয়ে না যায় এজন্য যুগে যুগে তা সংরক্ষণ করে এসেছে। কখনো পাথরের উপর খোদাই করে,আবার কখনো গাছের পাতার উপরে, আবার কখনো কাগজের উপরে, কিন্তু এখন আবার তা সংরক্ষণ করে রাখছে ইন্টারনেটের দুনিয়ায়। 



এরপর আমি আবারও বলব



এরপরও আমি আবারও বলব যে, শুধুমাত্র মাস্কের জন্য পড়া লেখা করোনা। নিজেকে  বড় কিছু করার জন্য , বিখ্যাত করার জন্য , তোমরা অটোগ্রাফ অন্যদের দেওয়ার জন্য পড়। শুধুমাত্র স্টুডেন্ট লাইফ টাকে কাটাতে হবে তার জন্য নয়। নিজের বড় উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কে চোখের সামনে দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখো। নিজের  মোবাইলের ওয়াল পেপার করে রাখো । যাতে তোমার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য টা তোমাকে আর এক মিনিটও সময় নষ্ট করতে না দেয়।  বইকে নিজের আপন বন্ধু বানিয়ে ফেলো । আর জ্ঞানের শক্তি নিয়ে এতো ওপরে ওঠো. যাতে তোমার সফলতার উড়ান দেখে সবাই বলে, আমিও এর মতো হতে  চাই। 




তোমার কাছে থেকে আমার চাওয়া 



তোমার কাছে থেকে আমার চাওয়া শুধুই একটু যে,আমাদের লেখা আর্টিকেল গুলো পরে, যদি তোমার ভালো লেগে থাকে, বা তোমার কোনো প্রয়োজনে আসে তাহলে আমাদের আর্টিকেল গুলো তোমার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার কর। আর তোমার মনের কথা টি কমেন্ট করে আমাদের নিশ্চয়ই জানাবে।কারণ তোমার একটি কমেন্ট আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ। 

Post a Comment

Previous Post Next Post