Attitude Story (Attitude Golpo) Attitude গল্প ২০২১

bangla short motivational - WeBangali.com
bangla short motivational story - WeBangali.com



Table of Content (toc)



জীবনে হার না মানার এক শিক্ষনীয় গল্প 

 জীবনে কখনো তোতা পাখির মতো হয়ো না , যে অন্যের শেখানো কথা না বুঝেই নিজে রিপিট করে । তুমি হতে হলে পাখির রাজা ঈগল মতো হও ।  যে নিজের স্বপ্নের উড়ান নিজেই স্থির করে ।'  bangla inspiration status   '




 ঈগল এমন একটা পাখি যার থেকে আমরা এমন কিছু অ্যাটিটিউড শিখতে পারি , যা আমাদের জীবনে যে কোন ফিল্ডে আমাদের সফল বানিয়ে দিতে পারে । আজকে এরকমই Attitude  গল্প বলবো । যেগুলো আমরা ঈগলের থেকে শিখে , নিজের স্টুডেন্ট লাইফ থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার পর্যন্ত সব জায়গায় এপ্লাই করতে পারি । আর সফলতার পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকতে পারি । এই গল্পটি শেষ পর্যন্ত পড়বে , কারণ এই Attitude গল্পটা তোমার লাইভ চেনজিং attitude হতে চলেছে। '   bangla inspiration story   '





 ১. একা চলার অভ্যাস



 একটা ঈগল সবসময় আকাশে একা একা উড়তে পছন্দ করে । কারণ সে কখনোই এমন কোন পাখিদের সাথে উড়ে বেড়ায় না,  যাদের উঁচু আকাশে উড়ার স্বপ্নই নেই । ঈগল জানে যে , তাকে অনেক উঁচুতে উঠতে হবে । আর অতো উঁচুতে সে হয়তো কাউকেই সঙ্গী হিসেবে পাবে না । তাই সে কখনোই একা উঠতে ভয় পায় না । যদিও বা তাকে কারোর সঙ্গে উঠতে হয়, তাহলে সেটা ঈগলই হয় ।'  বাংলা মোটিভেশনাল স্টোরি, বাংলা মোটিভেশনাল স্ট্যাটাস  '




 bangla motivation story, bangla short motivational





 আমাদেরও নিজের জীবনের স্বপ্নের পথে একা চলতে ভয় পাওয়া উচিত নয় ।  কারণ তোমার স্বপ্ন যদি বড়ো হয়, তাহলে যে মানুষেরা তোমাকে টেনে নিচে নামিয়ে দিতে পারে । তাই তাদের সঙ্গে একসাথে চলার চেয়ে একা চলা অনেক ভালো। আর যদি তোমাকে কারোর সাথে চলতেই হয়, তাহলে যার স্বপ্ন তোমার মতো বড়, যার লাইফের ভিসান তোমার সাথে ম্যাচ করে তাকেই নিজের সঙ্গী করো । 





২. ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ



এই যে ঈগল আকাশে এতো ওপরে নির্ভয় উড়ে বেড়ায় সেটা কিন্তু বিনা ট্রেনিং এ এমনি এমনি হয় না । আপনি কি জানেন,  ঈগল যখন ছোট থাকে, তখন তার মা তাকে নিজের থাবায় নিয়ে আকাশে বারো কিলোমিটার ওপরে উড়ে যায় । এবং সেই উঁচু জায়গা থেকে তাকে ছেড়ে দেয় । সেই বাচ্চাটা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটির দিকে দু কিলোমিটার অলরেডি পুড়ে যায় । তারপর  তার পাখনা ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে । কিন্তু নয় কিলোমিটার আসতে আসতে সেই বাচ্চাটার পাখনা পুরোপুরি খুলে যায় । এবং সে প্রথমবারের জন্য তার ডানা মেলে উড়তে চেষ্টা করে । কিন্তু প্রথমবারেই কিন্তু উড়তে পারে না । তাই সে যখন মাটির কাছাকাছি চলে আসে তখন তার মা আবার তাকে নিজের থাবা দিয়ে ধরে ফেলে । এবং সেই ট্রেনিং ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকে, যতক্ষণ না সেই বাচ্চাটার নিজের সব ভয় কাটিয়ে আকাশে উড়তে শুরু করে । 





 আমরাও যদি জীবনে সফল হতে চাই তাহলে আমাদের কিন্তু অনেক স্ট্রাগল অনেক ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে নিজেকে নিয়ে যেতে হবে । সেটা পড়াশুনার ক্ষেত্রে হোক, বা নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে হোক, অথবা বারবার হেরে যাওয়ার পরে , ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে৷ আমরা যত বেশি ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে যাব, আমাদের মেন্টালিটি ততই স্ট্রং হবে । 





৩.  ফোকাস বা লক্ষ্য স্থির



ঈগল প্রায় পাঁচ কিলোমিটার উঁচু থেকে তার শিকারের উপর ফোকাস করতে পারে । আর সে যখন অতো উঁচু থেকে তার শিকারের দিকে নামতে থাকে , তখন তার রাস্তায় যাই বাধা আসুক না কেন , সে কিন্তু তার দৃষ্টি শিকারের দিক থেকে সরায় না । সে ততক্ষণ তার ফোকাস লক্ষ্য শিকারের উপরেই রাখে, যতক্ষণ না সে সেটাকে ছো মেরে না ধরতে পারে।'  উপদেশ মূলক গল্প, পরিশ্রমের সফলতা  '




 আমাদেরও এরকমই অ্যাটিটিউড রাখতে হবে । আমাদের সফল হতে গেলে নিজের লক্ষ্যের ওপরে ততক্ষণ ফোকাস রাখতে হবে যতক্ষণ না আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে । লক্ষ্য স্থির করা থেকে লক্ষ্য পূরণের পথে অনেক বাধা আসবে । কিন্তু কোন মূল্যেই আমাদের নিজেদের দৃষ্টি, লক্ষ্য থেকে সরানো যাবে না । 





৪. সময় বুঝে সঠিক স্থান নির্বাচন



 যখন ঝড় বৃষ্টি হয় তখন অন্য পাখিরা যে যার নিজের বাসার দিকে চলে যায়,  নিজেকে সেফ থাকার জন্য। এটা হলো তার সঠিক স্থান । কিন্তু একটা ঈগল অন্য পাখিদের মতো আরাম দায়ক বাসায়  বসে থাকে না । সে সেই ঝড়ের হাওয়াকেই কাজে লাগিয়ে , ঝর বৃষ্টি মেঘের ওপরে উড়ে বেড়ায় । যখন তার কোনো শক্তি লাগে না । এটা হলো ঈগলের সঠিক স্থান। 



আমাদের লাইফেও যখন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ আসে । আমাদেরও উচিত, নিজের সঠিক স্থাননে থাকা । আর যারা ঈগলের মতো তারা বসে না থেকে সেই সব চ্যালেঞ্জ গুলোকে ফেস করবে । আর এতে এতটা সফল হয়ে যাবে যাতে তাদের সামনে আসা যে কোনো  বাধা মোকাবিলা তাদের কাছে খুব ছোট বলে মনে হবে । 



৫. নির্ভীক মনোভাব বা ফেয়ারলেস অ্যাটিটিউড



 একটা ঈগল তার থেকে বেশি শক্তিশালী আর তার থেকেও বেশি ওজন ওয়ালা শিকারের সাথে লড়াই করতেও ভয় পায় না । সে তার শিকারের ওজন সাইজ দেখে কখনোই পিছু টান হয়না। সে তার শেষ শক্তি অবধি তাকে টক্কর দেয় ।' জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প,  শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার গল্প '


ঠিক  সফল মানুষেরাও এরকমই নির্ভীক  হয় । তারা তাদের লাইফে আসা সমস্যার  দেখে কখনোই পিছু টান  দেয় না । তারা প্রবলেম এর সাথে ফাইট করার অ্যাটিটিউড রাখে । 





৬. কামব্যাক অ্যাটিটিউড বা প্রত্যাবর্তন মনোভাব



 একটা ইগোলের যখন চল্লিশ বছর বয়স হয়ে যায় । তখন তার ঠোট, পাখনা আর হাতের নখ দুর্বল হয়ে যায়। সেগুলো শিকার ধরার মতো অবস্থায় থাকে না । আর তার পাখনা দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে সে আগের মতো অত উঁচুতে অতক্ষণ ধরে উড়তেও পারে না । তখন তার কাছে দুটো রাস্তা থাকে ।  এক হচ্ছে অন্যের ফেলে যাওয়া খাবার খেয়ে যে কদিন বাঁচা যায় , সে কদিন বাঁচা । আর দুই হচ্ছে একটা কঠিন রাস্তাকে অতিক্রম করে আবার কামব্যাক করা এবং আরও তিরিশ বছর রাজার মতো বাঁচার।  ঈগল কি করে দুই নম্বর রাস্তাটা বেচে নেই। সে কিছু খাবার সঞ্চয় করে উড়ে যায় একটা উঁচু পাহাড়ে । সেখানে গিয়ে বাসা বানায় আর নিজের কামব্যাক করার ট্রেনিং শুরু করে ।' শিক্ষনীয় গল্প '




সবার প্রথমে সে নিজের কমজোরি ঠোঁটকে পাহাড়ের পাথরে মেরে মেরে ভেঙ্গে ফেলে । এরপর সে অপেক্ষা করে নতুন ঠোঁট ওঠার।  নতুন ঠোঁট গজিয়ে গেলে সে তার হাতের নখকে একই ভাবে পাথরে মেরে মেরে ভেঙে ফেলে , আর অপেক্ষা করে নতুন নখ গজানোর । নতুন নখ গজিয়ে গেলে সে তার ভারী আর দুর্বল হয়ে যাওয়া পাখনা গুলোকে একে একে শরীর থেকে ছিঁড়ে ফেলে , এটা তার জন্য খুবই কষ্ট দায়ক হয় । সে তার সব কষ্ট সহ্য করে অপেক্ষা করে নতুন পাখনা গজানোর । আর এই টোটাল প্রসেস একদিন, দুদিন বা দশ দিন সময় লাগে না । এই টোটাল প্রসেসটা কমপ্লিট হতে সময় লাগে প্রায় একশো পঞ্চাশ দিন । প্রায় পাঁচ মাসের সংঘর্ষের পরে আকাশের রাজার পুনর্জন্ম হয় ।' শিক্ষনীয় গল্প facebook '


 সে আবার আগের শক্তি আর attitude নিয়ে নিজের এলাকায় কামব্যাক করে । আর রাজার মতোই আরো তিরিশ বছর বেঁচে থাকে ।



 

  , সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প ,  



 আমাদের জীবনেও কিন্তু অনেক সময় এমন কিছু কিছু  ফেইলার মুহূর্ত আসে । যা আমাদের ক্যারিয়ার ট ভেঙে রেখে দেয় , তখন কিন্তু আমাদেরও মনে হয় যে আর বোধহয় সেখান থেকে  ফিরে আসা সম্ভব নয় । কিন্তু তখন যদি আমরা এরকম ঈগলের মত অ্যাটিটিউড রাখতে পারি নিজেকে আবার নতুন করে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে কিন্তু আমরাও আবার ফিরে আসতে পারবো । আর সেটা রাজার মতোই । হয়তো তাতে কষ্ট অনেক হবে, হয়তো তাদের অনেক ধৈর্য  ধরতে হবে ।  কিন্তু সেগুলোকে পার করতে পারলে কামব্যাকটাও কিন্তু সাধারণ কারোর মতো হবে না । সেটাও কিন্তু রাজার মতো হবে । কার কথায় আছে কষ্টের ফল সব সময় মিষ্টি হয় । '   শিক্ষনীয় গল্প, শিক্ষনীয় গল্পসমূহ   '





তো বন্ধু,  আমি তোমায় আবারও বলব যে, নিজের  Attitude টা ধরে রেখো। সেটা সম্পর্ক ক্ষেত্রেই হোক বা ক্যারিয়ার হোক ক্ষেত্রে ।  শিক্ষনীয় গল্প ও শিক্ষামূলক ঘটনা, 

এই গল্পটি ভালো লাগলে একটা শেয়ার অবশ্যই করে দিও । তার সাথে তোমার মূল্যবান কমেন্ট করবে।কারন তোমার একটি কমেন্ট আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ। 'মোটিভেশনাল ছোট গল্প, অনুপ্রেরণার গল্প '

 আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে 'আমি অন্তর'। আজকের মতো এইটুকুই, খুব তাড়াতাড়ি আবারও কথা হবে  আরও একটা নতুন আর্টিকেলে , ভালো থেকে ভালো রেখো-আমরা বাঙালি উট কম

2 Comments

Post a Comment

Previous Post Next Post